ঢাকা প্রতিদিন ঢাকা প্রতিদিন
সত্যের পথে সংবাদের সাথে
কুষ্টিয়ার আলামপুর ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি নেতা হাসান মাহমুদ খান সজল, দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী


কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৫নং আলামপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও স্থানীয় রাজনীতিতে পরীক্ষিত মুখ, বিএনপি নেতা হাসান মাহমুদ খান সজল। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে হামলা, মামলা ও নানা নির্যাতনের শিকার হয়েও দলীয় আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র সরে দাঁড়াননি এই নেতা। বর্তমানে সব বাধা পেরিয়ে তিনি আলামপুর ইউনিয়নের আনাচে-কানাচে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং ব্যাপক মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী বিএনপি পরিবারের সন্তান হাসান মাহমুদ খান সজল। তার মরহুম বাবা আমিন উদ্দিন খানও ছিলেন বিএনপি পরিবারের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। পরিবার এবং চাচাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও অনুপ্রেরণাতেই তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ২০০০-এর দশকের শুরু থেকেই তিনি সরাসরি ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ২০০১ সালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে দলের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। এরপর একে একে ছাত্রদল ও মূল দলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন। তার উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে-কুষ্টিয়া সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এবং সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বিগত ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী সরকারের দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা দমনপীড়নের আমলে রাজপথে সোচ্চার থাকার কারণে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হন হাসান মাহমুদ খান সজল। তৎকালীন সরকারের জুলুম-নির্যাতনের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে তিনটি গায়েবি ও হয়রানিমূলক নাশকতা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশি হয়রানি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন সত্ত্বেও তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন। সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনগত লড়াইয়ের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ওই মিথ্যা মামলাগুলো সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি হয়েছে। সকল আইনি জটিলতা ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি এখন পুরোপুরি মুক্ত এবং আগের চেয়ে দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার ও কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সজল সবসময় আলামপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনাকালীন সময়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও সামাজিক সংকটে তিনি নিজ উদ্যোগে এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা করেছেন। বর্তমানেও তার এই মানবিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। ইউনিয়ন জুড়ে নিয়মিত মতবিনিময় সভা, পথসভা, উঠান বৈঠক ও ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। আসন্ন ৫নং আলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের এলাকাবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। হাসান মাহমুদ খান সজল বলেন, আমি বিএনপি করি। ঐতিহ্যবাহী বিএনপি পরিবারের একজন সন্তান। দলের দূর্দিনে রাজপথে ছিলাম।এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এলাকাবাসী আমাকে নির্বািচত করলে আলামপুর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিনত করবো। একটি সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলবো। এ জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই। সেই সাথে এলাকায় বিএনপির হাল ধরে রাখতে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে জেল-জুলুম ও রাজনৈতিক বৈরী পরিস্থিতিতেও যারা দলের মাঠ ছাড়েননি, হাসান মাহমুদ খান সজল তাদের মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘদিনের এই পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা আগামী দিনে আলামপুর ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আস্থাশীল এলাকাবাসী।

