অভিযুক্ত চক্ষু হাসপাতালে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় ও ভোজ, তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

অভিযুক্ত চক্ষু হাসপাতালে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় ও ভোজ, তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুল চিকিৎসায় চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগে তদন্তাধীন কুমারখালীর একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতালে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জনের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ
মামলার বাদী ৬৫ বছরের নারীকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মামলার বাদী ৬৫ বছর বয়সী এক নারীকে বাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পরে জানানো হবে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের নলকুলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নুর জাহান বেগমকে পুলিশ নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নুর জাহান বেগমের বাড়ি ও গুদামে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ২১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। পরে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। নুর জাহানের মেয়ে সেলিনা আক্তার শিল্পীর অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই তার মায়ের ওপর মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এর মধ্যেই রোববার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা ও পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের কয়েকজন সদস্য তাদের বাড়িতে যান। সেলিনার দাবি, পুলিশ সদস্যরা তার মাকে জানান, ওসি তার সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পরে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বাড়িতে তার ১৫ বছর বয়সী অটিজম আক্রান্ত মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। মাকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। নুর জাহানের ছেলে রুহুল আমিন বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার দাবি, তাকে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বাড়ি ও গুদামে আগুন দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, এসব ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। এ অবস্থায় তার বৃদ্ধ মাকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ায় তিনি উদ্বিগ্ন। তবে নুর জাহানকে কী কারণে থানায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মামুনুর রশিদ বলেন, তিনি বর্তমানে একটি হত্যা মামলার অভিযানে বাইরে রয়েছেন। থানায় ফিরে বিষয়টি জেনে পরে জানাতে পারবেন। কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন।

মামলার বাদী ৬৫ বছরের নারীকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ায় অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মামলার বাদী ৬৫ বছর বয়সী এক নারীকে বাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পরে জানানো হবে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের নলকুলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নুর জাহান বেগমকে পুলিশ নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নুর জাহান বেগমের বাড়ি ও গুদামে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ২১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। পরে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। নুর জাহানের মেয়ে সেলিনা আক্তার শিল্পীর অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই তার মায়ের ওপর মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এর মধ্যেই রোববার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা ও পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের কয়েকজন সদস্য তাদের বাড়িতে যান। সেলিনার দাবি, পুলিশ সদস্যরা তার মাকে জানান, ওসি তার সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পরে তিনি কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বাড়িতে তার ১৫ বছর বয়সী অটিজম আক্রান্ত মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। মাকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। নুর জাহানের ছেলে রুহুল আমিন বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার দাবি, তাকে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বাড়ি ও গুদামে আগুন দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, এসব ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। এ অবস্থায় তার বৃদ্ধ মাকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ায় তিনি উদ্বিগ্ন। তবে নুর জাহানকে কী কারণে থানায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মামুনুর রশিদ বলেন, তিনি বর্তমানে একটি হত্যা মামলার অভিযানে বাইরে রয়েছেন। থানায় ফিরে বিষয়টি জেনে পরে জানাতে পারবেন। কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন।